ধর্ম অবলম্বনে অত্যাচার, মিথ্যাচার, শোষণ ও প্রাণহানির ঘটনার ঝুড়ি ঝুড়ি সাক্ষী ইতিহাস অতীতে থেকেছে। আর যদি সংবাদপত্রের পাতায় চোখ রাখা যায় দেখা যাবে দেশের বর্তমান অবস্থাতেও তার কোনো ব্যতিক্রম ঘটছে না আর না ভবিষ্যতেও আলাদা কিছু ঘটবে বলে মনে হয়। বাস্তবিকই দেখেছি যে, যে সকল ব্যক্তি রাস্তায় নেমে একটু ধম্মকম্ম দেখায়, দেশ সেবা তথা জনকল্যাণ মূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার ' স্ট্যাটাস ' বহন করেন, সেই তাদেরই অধিকাংশকে দেখি প্রয়োজনে অবলীলায় ঘর ও দোকান ভাঙতে ও পোড়াতে। প্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় ও নিতে হয় তাদেরই। এমনকি সত্য মিথ্যার সংজ্ঞা টাও তাদের নিজস্ব চালাকির ধাঁচে গড়তে চায় তারা। দেখি যে কোনো রাজনৈতিক দল ও কিছু অরাজনৈতিক গোষ্ঠীও ক্রমাগত মহান ও পরোপকারী হওয়ার মোহতে আক্রান্ত। আর এখানে ছিপের বড়শিতে টোপ টা হলো সাধারণ মানুষ... ভাবি এই সাধারণ মানুষদের জন্যই এই এত সকলের পার্থিব ভগবান হয়ে ওঠার যত যুদ্ধ, যত প্রতিদ্বন্দ্বিতা... উপকার করা আসল উদ্দেশ্য নয়, বরং ' এই উপকার করা দেখানো ' এটা একটা ট্রেন্ড হতেই পারে। একটা সামাজিক বিজ্ঞাপনের ইমেজ তৈরি করতে পারলেই যথেষ্ট, যার আড়ালে পণ্যদ্রব্য রুপী সাধারণ মানুষদের মান, সম্মান ও আত্মমর্যাদা লুকিয়ে আছে। এখানে তথাকথিত ওই অপরের জন্য " দেখানো ভাবনার " একটা স্বস্তি আছে বৈকি। এই সাধারণ মানুষদের এই এত দুর্গতি না থাকলে মনে হয়না ওই এই পার্থিব ভগবানগুলি কোনরূপ ভক্তি আরাধনার স্বীকার হতে পারতেন বলে। এখন এই সহজ সত্যটি ওই স্বর্গীয় ভগবান আবিষ্কার করুন , কি না করুন, এই মর্তের সর্বভুক জীবন্ত ভগবান গুলি কিন্তু অনেক আগেই আবিষ্কার করে ফেলেছিল। তারা বুঝেছিল যে, যদি আরাধনা পেতে হয়, সেই আরাধনা ওই ভেঙে যাওয়া বস্তির, জীর্ণ , ক্লান্ত , অবসন্ন, ক্ষুধিত, রোগাক্রন্ত , দুর্ভাগা ও অসহায় পার্থিব প্রাণীগুলোর মধ্যে থেকেই আসতে হবে, নতুবা শুধুমাত্র "ঠান্ডা ঘরে " পালিত কতিপয় কোটিপতিদের ভক্তিতে তাদের অন্ন জুটবেনা। সুতরাং তাই এদের সর্বহারা হতেই হবে না হলে আর উপায় নেই। ভগবানও অসহায়, যিনি নাকি শুধুই দেখেন... কিছু করতে পারেন না, না কোনো শিশুর মাথা আধুনিক অস্ত্র এপার ওপার করে ফেললেও না...! শুনেছি তিনি পরম দয়ালু, দয়ার সাগর, ভুল বললাম , ওটা মহাসাগর হবে... । তাহলে উনি, আশা করা যায়, ওই সকল অত্যাচারী হত্যাকারীদের ক্ষমা করেই দেন যারা কোনো শিশুর মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে পারে বা কারোর যৌনাঙ্গে লোহার রড প্রবেশ করাতে পারে। এখন অত্যাচারিত যারা, তারা নাকি তাদের আগের জনমের করা কোনো কুকর্মের জন্য প্রত্যাশিত ফলাফল লাভ করছে। প্রশ্ন হলো, ধরেই নিলাম তারা খুবই জঘন্য পাপ করে ফেলেছে পূর্ব জনমে, কিন্তু ভগবান যদি এতই ক্ষমাশীল হন, তাহলে ঐ এই জন্মের নিষ্পাপ শিশুগুলোর প্রতি তাঁর এই রূপ ক্ষমা প্রদর্শন? আরে কোথায় কাজে লাগাবেন আপনার ওই দয়ার সাগর? কোথায়? ওই যারা এই ঘৃণ্য কাজ গুলো করে বেড়াচ্ছে তাদের জন্য সযত্নে রেখে দিয়েছেন বুঝি? এটাই প্রশ্ন...
Hi, this is Somnath here to welcome all my dear reading lovers. As I am , in this platform, to pen a lot time to time, please stay visiting here and enjoy your reading enjoyable and to an extent informative...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
When the পার্টস অব স্পীচ are mirror of Society
যেটা মনে রাখবেন অবশ্যই! একজন চেয়ার লোভী noun ই কেবলমাত্র অন্য একজন চেয়ার লোভী noun এর সুনাম বা বদনাম করতে পারে এটা কি জানেন? আপনি কি ভাবছ...
-
যেটা মনে রাখবেন অবশ্যই! একজন চেয়ার লোভী noun ই কেবলমাত্র অন্য একজন চেয়ার লোভী noun এর সুনাম বা বদনাম করতে পারে এটা কি জানেন? আপনি কি ভাবছ...
-
Hi... Readers...! I hope you all are well! Today I am here with a new article for you. OK, just imagine what it would be like if you are g...
-
*Be-head-জীবন* 🤣😂 জাটি গেছে দাদুর কাছে💏 লোকু গেছে হাটে👳 পূজা গেছে পুজো করতে👸 সুরো ছোটে মাঠে...🏃🏃 সুইট দিব্যি বিয়ে বাড়িতে👰 পৃথ্বী ...

No comments:
Post a Comment