Hi, this is Somnath here to welcome all my dear reading lovers. As I am , in this platform, to pen a lot time to time, please stay visiting here and enjoy your reading enjoyable and to an extent informative...
Wednesday, August 16, 2023
বেলিফুল
Tuesday, August 15, 2023
বাঁধন
বাঁধন
বাঁধন খুলতে তখনও চোখে জল আসতো। মায়ের আঁচলের বাঁধন। অপু দিবা নিদ্রায় বন্ধুত্ব কখনো করতে পারে নি। এখন নিদ্রা তাকে রাত্রেও একা ছেড়ে দিয়েছে। এখন আঁচল আছে, বাঁধন নেই। সে ভাবে মাকে জিজ্ঞাসা করে, " আচ্ছা মা, তুমি আমাকে আর এখন বেঁধে রাখনা কেনো তোমার আঁচলে?" শোষণ গুণে এ যেন সেই বিশল্যকরনী ... ছেলে বেলায় ঘাম , ভিজে হাত মুখ মাথা আর এখন, চোখের জল গোপনে...আগে ছেড়ে যাওয়ার আকুতি বায়নায় সেই জল...আর এখন
ছেড়ে যাওয়ার আফসোসে। সে জানে, মাও বোঝে... কোথাও বাঁধা পড়লে মা-ই আগে বোঝে। আশ্রয় পায় সেই মমতাময়ী আঁচলে। সে ভাবে, " আমাকে তুমি সারাজীবন বেঁধে রেখো মা, কোথাও নতুন করে বাঁধা পড়তে যাতে না হয়।"
এখন বাঁধন খুললে চোখে জল আসে...🌧️🌧️🌧️
Monday, May 8, 2023
সর্বহারা
সর্বহারা
ভেসে ছিলাম, একসাথে কখনো দুজনে...
ঘনীভূত আবেগের মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়েছে সেই কবে,
সূর্য আবারও বেসেছিল ভালো...
ভালোবাসা যেন সদ্যস্নাত পাতায়
তখনও জ্বেলে রেখেছিল আলো।
রেখেছিল বৃন্তে, একফোঁটা সিক্ত ভালোবাসা...
গাছটা তখনও ছিল, আছে আজও। রেখেছে এখনও জীবিত, সুপ্ত পুরানো সেই আশা।
মনের ক্ষত ভালোবেসে বাকল দিয়েছে ঢেকে
মজবুত করেছে কান্ড, শিরদাঁড়া...
ঝরে যাওয়া পাতায় জীবনের হিসেব শুকনো, হিসেবের খাতায় আমি এক সর্বহারা...।
সোমনাথ
Wednesday, April 12, 2023
গাজন
গাজন
গাজন, চৈত্রের এক বিশেষ দিন, যেখানে ছোট থেকেই দেখি নারী পুরুষ নির্বিশেষে সন্ন্যাস (চলিত ভাষা : উত্তুরি ধারণ ) নিয়ে সকাল থেকে একটা দল বাড়ি বাড়ি যায়। " বাবা তারকনাথের চরণের সেবায়, মহাদেব..! " এই স্লোগানে মুখরিত দলটি সেই সকল পরিবারের মঙ্গল কামনা করতে থাকে বাড়ি বাড়ি। সঙ্গে হাঁটেন ঢাকি, ও কাঁসর বাদক, আর পাড়ারই কিছু বাচ্ছা ছেলে, ওই কিছু ডাব ও বাতাসার টানে পেছন পেছন যাওয়া ছোট ছেলেরা। বাড়িতে প্রবেশের সাথে সাথে তারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় । তারপর মা কাকিমাদের দেখেছি তাদের পায়ে জল ঢেলে ধুয়ে দিতে ও তাদের প্রণাম করতে। তারপর বাতাসা ছড়ানো, ও তাদের উদ্দেশ্যে কিছু গোটাফল দেওয়া। আমিও আমার বাড়ির দিদি ও দাদাদের সাথে হরিলুঠ বা ছড়ানো বাতাসা কুড়িয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় প্রস্তুত থাকতাম, আর শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সে যা করতাম তা আর বলার নয়। কখনো তো একটা বাতাসাকে নিয়ে দুজনে টানাটানি, ঠেলাঠেলি ও ঝগড়া হয়ে তিন চারদিন আমাদের মধ্যে কথা বলাই বন্ধ থাকতো। একবার ওই সমস্যায় নিজেদের জড়িয়ে আমি আর দিদি গিয়েছি মা-এর কাছে, বাতাসা টা কে নেবে সেই সমাধানের আশায়। আর আমি যেতে চাইতাম না কারণ মা আমার কথা কবেই বা শুনেছে যে পুরো বাতাসাটা আমার হবে...! যাইহোক গেলাম, মা শুনলো আর বাতাসা টা নিয়ে দিদিকে দিয়ে দিল সঙ্গে সঙ্গে। আমার আর কী, কান্নাই সম্বল তখন। কী আশায় আসা, আর কী হয়ে গেলো। বাবা আমাকে বলল, "দিদির বাতাসা বেশি হবেই তো, কারণ গাজনের দল তোমার নাম ধরে ডেকেছিল, কিন্তু দিদির নাম তো ডাকেনি, তাই ওকে বাতাসা বেশি দিতে হবে।" আমি জিজ্ঞাসা করলাম, " ওর নাম ডাকেনি কেনো?" সেই প্রশ্নের যথার্থ উত্তর যাই হোক আজও পাওয়া যায়নি। তবে বেশ সুন্দর স্মৃতি বলা যায় এটা আমার। এবার বিষয় টা বলি... গাজনের দল, ওই 20 থেকে 25 জনের মতো, বাড়িতে আসার আগে , মূলত পরিবারের প্রত্যেক পুরুষ সদস্যদের নাম লিখে রাখা হয়, যাদের নাম ধরে সন্ন্যাসীদল বলে ওঠে, " নাম + এর মঙ্গল হোক...!" মহিলাদের নাম কেনো এখানে লেখা হয় না বা তাদের মঙ্গলের কোনো দরকার আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর আমি আজও জানি না। কিন্তু ছোট বেলায় দিদির নাম লেখা হয়নি বলে ওর ঠোঁটটা ফুলতে দেখেছি, মনে আছে। ও মনে হয় 2 টো বাতাসা বেশি পেয়ে খুশি থাকতো কিনা জানি না। বলাবলি কী, মেয়েদের ভাষায়, "এই সব বাড়ির মা মেয়েদের ব্যাপার বেশি জেনে কী দরকার তোর...?" তাই না?
আপনাদের জানা থাকলে নিচে দেওয়া অনুভূতির পাতায় অবশ্যই জানাবেন...🙏😌
Tuesday, March 21, 2023
বসন্তের রঙ 💐
বসন্তের রঙ
এমনিতে সে নবীনা, চঞ্চলা... প্রাণ বন্ধু বলাই শ্রেয় কিন্তু দেখেছি যেকোনো উদ্যোগ বা দায়িত্ব পালনে আত্মবিশ্বাস ও স্বতস্ফূর্ততায় সে মুহূর্তে কেমন যেনো দিদি হয়ে ওঠে আমার। কি জানি, এখন এই আমি সর্বদা স্বাধীন সৈনিক তার ওই আদেশ পেতেই পছন্দ করি। তার প্রতি নির্ভরশীলতা নিজের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে যেনো মনে হয় না কই। তার মার্জিত সহজ আচরণ, শালীনতা , উদার মানসিকতা তার প্রতি আমার নির্ভরশীলতা বাড়ায় বই কমায় না। এটা সত্যি যে এই সৌন্দর্যের প্রশংসায় ভাষার অভাববোধ করছি। এক নিঃশর্ত সৌন্দর্য্য শাসন তার মুখবয়বে সব সময় মাখা, ঠিক মা যেমন সন্তনেরে করে...
শাড়িতে দেখেছি তাকে, লাল পাড় আর হলুদে, দেখেছি বেনিতে তার ফুল, দেখেছি তার অলক্ষ্যে, দুর হতে বেশি করে... তার চোখে চোখ রেখে তাকে দেখা না দেখার সমান , সেই স্পর্ধা আমি করিনা, তাহলে তার অনেক কিছুই দেখা হয় না, তাই দুর থেকেই সই...
হ্যাঁ শুধুই দেখেছি... নিজের মনের গলায় দড়ি বেঁধে শুধুই তাকিয়ে থেকেছি... দেখেছি তাকে পরিপাটি আঁচলে, দেখেছি তাকে শাড়ির কুঁচির দোলায়, ভাঁজে ও ওঠা নামায়... পাশ দিয়ে দূরে হেঁটে যেতে, সবাইকে নিয়ে.., একসাথে হাসতে, হাসাতে, খেতে, খাওয়াতে।
শুধু আমি একা নই, আমরা অনেকেই তাকিয়ে থেকেছি যখন সে একদিন নেচেছিল বসন্ত উৎসবে ।
সেইদিন লেগেছিল বসন্তের রঙ, মনে। মাখিয়ে ছিল সে, নিজ হাতে... কোনো এক অজানা অভিমানে...
তাকে স্বীকার করেছি গোপনে, মনে মনে। করেছি পূজা স্বপনে... অনুভব করেছি এই নারী, শাড়িতে পুরুষ মানুষকে গলায় নিঃশর্তে পড়াতে পারে দড়ি...
কোথাও এক লজ্জা দিয়ে যায় যেন, এই লজ্জা সেই লজ্জা নয়, এটা সেই লজ্জা যার সামনে যেতে পুরুষ ভালোবাসে, এই লজ্জায় হার স্বীকারে কোনো লজ্জা নেই... এই লজ্জায় মৌনবাসে বনবাস যাওয়া যায়...
প্রকাশ্য প্রশংসা ? না না। এটায় আশঙ্কা আছে। তাকে হারানোর আশঙ্কা, নষ্ট করে ফেলার আশঙ্কা, আশঙ্কা মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবার... তাই এই লেখার আশ্রয় নিয়েছি। অনুভব করেছি কেনো মানুষ তার জীবনের অমূল্য সম্পদ গুলোকে নিভৃতেই লালন পালন করে, অন্তরালে। সে যেন সর্বদাই ভালো থাকে, সুখী হয়...।
নজর কাড়ে... তাই নজর লাগে। জীবনে হারিয়েছি অনেক, পেয়েছিও অসংখ্য।তবুও তাকে ওই না পাওয়ার তালিকায় ভালোবাসতে ইচ্ছা হয় না। তাকে সবেতে মিশিয়ে ফেলেছি, চিনি আর দুধ যেমন মেশে একে অপরের সাথে। আবার কি নিয়ন্ত্রণ হারাব? না থাক... অসংখ্য আশঙ্কায় মন ভিজে... নতুন সূর্য উদয় না হলে রৌদ্রে মেলবো কী ভাবে?...এই প্রশ্নের উত্তর অজানাই থাক...
তোমায় প্রকাশ করতে গিয়ে দেখি আমি পুরির সমুদ্র সৈকতের সামনে দাড়িয়ে...🌼💞
Monday, March 20, 2023
চা-বিস্কুট 😃
মলয়দার বাড়িতে গিয়েছি, দাদা কে ডাকতে, ক্রিকেট খেলব। দাদা, প্রাতকার্যে হালকা হতে ব্যস্ত, তাই বৌদি আমাকে একটু বসতে বললে। আমি বসে, হতে দৈনিক পত্রিকা। আমার যখন পত্রিকার পাতায় এসএসসি প্রার্থীরা আন্দোলনের 750 দিন পার করেছে, ঠিক তখনই মলয়দার বউ তাদের 1 বছরের বাচ্ছা টাকে খাওয়াতে খাওয়াতে সামনের সোফায় বসলো। ছেলে সে তো কিছুতেই খাবে না, আর মা তো মা-ই, ছাড়বে কেনো...! বলে, " ওয় কাকু এসেছে ..! এখুনি ধরে নিয়ে যাবে তোকে! খেয়ে নে তাড়াতাড়ি! নাহলেই বলে দেবো, নিয়ে চলে যাবে। কাকু খুব রাগী, ধরে নিয়ে গিয়ে বেধে রেখে দেবে একদম! " ছেলে আমার দিকে হাঁ করে দেখলো, আমি একটু হাসলাম মুখ টিপে... আর তার মা, অমনি ছেলের খোলা মুখ পেয়ে যতটা খাবারের মন্ড যায়, তার থেকেও বেশি ছেলের মুখের ভেতর ঠেসে ঢুকিয়ে দিলো... মাইরি! সত্যি বলতে বৌদির ছেলে খাওয়ানোর টেকনিকে আমিও হাঁ , তবে আমার মুখ আমার দুহাতে চাপা ছিল। ছেলে ততক্ষনে কী করবে না করবে ভেবে না পেয়ে, অর্ধেক খাবার মন্ড গিলে, অর্ধেক ফেলে , বিষম খেতে খেতে চিল চেচানো শুরু করে দিয়েছে। মলয়দা ভেতর থেকেই ডাক দিল, " কী হলো গো...! এত্ত কাদঁছে কেনো ছেলে টা!!?" বৌদি বলে ওঠে, " ঔ পাশের বাড়ির 'পচা' গো, ওকে দেখেই আমাদের ছেলেটা চেচাচ্ছে, ও কিছু না।" আমি তো অবাক! য ব্বাবা..! আমি মাঝে খলনায়ক! ভাবছি, " শুধু ছেলের কাছেই ভিলেন বানিয়ে এই মহিলা খুশি নয়, ছেলের বাপের কাছেও আমাকে বদনাম করে দিলো। ছেলেটার যে দম আটকে যাওয়া দেখে আমি নিজে আঁতকে উঠেছি সেটা উহ্যই থাক। তা, আমি তো আমার মুখ বন্ধ করে ঢোকগিলে প্যাঁচার মতো বসে। ছেলেটা খুব কাঁদছে দেখে ভয়ে ভয়ে বৌদিকে বললাম, " আমি একটু বাইরে আছি বৌদি , দাদাকে বলে দিও।" বৌদি হেসে বলে, " আরে দাড়াও দাড়াও....! ভাই, তুমি কোথায় যাচ্ছ? একবার ছেলেটাকে ধরতে হবে তোমায়, তোমাদের জন্য চা টা বসাই । দেখো না তোমার দাদার কাজ, ছেলে টা কাদঁছে শুনতে পাচ্ছে না, সে চেম্বার খুঁড়ে পায়খানা করছে যেনো, একবার ঢুকলে হয়, 1 ঘণ্টা ধরে বসেই থাকে, ভেতরে বসে কীকরে কী জানি বাবা! ” আমি কিছু বলার আগেই ছেলেকে আমায় ধরিয়ে দিল বৌদি। এখন ওদের ছেলে, আমার কোলে। মনে হচ্ছে সকাল বেলা প্রতিবেশীর ছেলে মানুষ করতে এসেছি। বাচ্ছাটা আমার কোলে চুপকরে গেলো একদম... আমি একটু সাহস করে হাসলাম বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে। কিছু ক্ষণের মধ্যে বৌদি চা বিস্কুট এনে হাজির। হাসি মুখে আমার সামনে চা-টা টাবিলে রেখে দিয়ে, ছেলেকে নিজের কোলে নিল। আমি একটু স্বস্তি অনুভব করে গরম চায়ের কাপে চুমুক দিলাম। বৌদি কিন্তু পাশের সোফায় ছেলের খাওয়া নিয়ে আবার ব্যস্ত হয়ে পড়ল। ছেলে কিন্তু অগ্রিম বিপদ বুঝে ঘ্যান ঘ্যাণ করতে শুরু করে দিয়েছিলো। আমি একটা বিস্কুট দিতে গেলাম ছেলেটিকে , সে বেশ হাত টা বাড়িয়েই ছিল। কিন্তু তখনই বৌদি ছেলের হাতটা সরিয়ে নিয়ে আচমকা বলে উঠলো, " আরে না না! সকালবেলা চা বিস্কুট ভালো ছেলেদের খেতে নেই বাবা, ও গুলো যারা খায় তারা ভালো নয়, তারা বদমাশ। সোনা আমার, এই কাকুও খুব বদমাশ, ওটা ' পচা ' কাকু, একদম 'পচা'।" আমি সবে একটা কামড় দিয়েছিলাম, অর্ধেক বিস্কুট আমার মুখেই থেকে গেলো আর বাকি টা খাবো কী ভাবে তাই ভাবছি। ছেলে আবারও ”ভ্যা...!” করে... চেঁচিয়ে কেঁদে ওঠে একবার। মলয়দাও ভেতর থেকে বলে, " কী গো...! কী হলো গো ছেলেটার...! বৌদিও উত্তর দেয়, " ওই তো তোমাদের ' পচা ' গো, ওকে দেখেই কাদঁছে, ও কিছু না...!" এটা শুনে বিস্কুট গেলো আমার গলায় আটকে, এবার আমার নিজের বিষম লাগলো। খুব কষ্টে নিজেকে সামলে নিয়ে দেখি চোখে আমার জল, আর মনে মনে কাদঁছি, "মলয়দা গো আমাকে বাঁচাও তুমি, দয়াকরে বের হও, আমাকে কেনো আসতে বললে গো তোমার বাড়ী?" ইতি মধ্যে পিঠে তাল পড়ার মতো দমাস..! দমাস..! করে দুটো শব্দ... দেখি ছেলের মুখ একদম হ্যাঁ, আর মুখে সেই মন্ড ঠাসা, ছেলে প্রায় আটকে গেলো গেলো দেখে মনে হলো...! একদম ককিয়ে উঠেই দমটা নিয়ে ছেলে যেই না দ্বিতীয় বার চিল চেচানি চেচালো পিঠে আর একটা ' দমাস্ ' করে ঘা! গোটা ঘর ছেলের কান ফাটানো কান্নার চিৎকারে কেপে উঠলো যেন...! তৎক্ষণাৎ, চায়ের কাপ রেখে আমি দিলাম ছুট...! মলয়দা ততক্ষনে বেরিয়ে, ডাক দিচ্ছে, " ' পচা '...! ওই ' পচা...! ' কোথায় যাস শোন শোন...! আরে চা বিস্কুট টা শেষ করে যা...! কোথায় যাস!" আমি পেছন ফিরে চেচালাম, " মলয়দা...! আমি ভালো ছেলে গো...!, আমি ' পচা ' নয়...!, আমি সকাল বেলা একদম চা বিস্কুট খাই না...!” ( সমাপ্ত )
Sunday, February 5, 2023
নিত্যানন্দে নিত্যদিন
স্কুলের নাম নিত্যানন্দ
আনন্দটাই মূল,
ক্লাসে গিয়ে দেখি বসে সব
ভবিষ্যতের ফুল।
হাসিরা সব আপন হলো
অনুভূতির মাঝে
জীবন যেন সেজে আছে
নব অভিজ্ঞতার সাজে।
সময় আছে, এখন তবে
একে একে বলি,
ক্লাসের সংখ্যা বেশি হলেই
তেলে বেগুনে জ্বলি।
লোকনাথ যে যোগী মানুষ
নিজের মতেই চলে,
পৃথ্বীকে সেই যতই বলি
আসবে সে প্রার্থনা শেষ হলে।
সৌম্য এসে তালা খোলায়
বাকিরা তবেই ঢুকি,
সবার শেষে কোয়েল ম্যাডাম
মেরে দিয়ে যায় উঁকি।
সুরভি সাদা ঘিয়ের মতোই
পুতুল সেজে আসে,
নিকিতা তার দিনটা বেশি
কাটায় মেট্রো ও বাসে।
সুপ্রিয়া তার মেয়েকে রেখে
আসে মায়ের মতই,
মনটা তার মেয়ের কাছেই
ক্লাস সে করুক যতই।
হাসিনা ওই দুই-একদিন
হেসে দিয়ে গেলো,
তারপর তার চিরদিনের
কামাই শুরু হলো।
সবার মাঝে প্রীতম শুধু
একাই বাচ্ছা ছেলে,
নায়ক সে তো সবার মনে
শুধুই ক্রিকেট খেলে।
ঠোঁটের নিচে তিলটা নিয়ে
চন্দ্রিমা যায় ক্লাসে
তাকে দেখে ছাত্ররা সব
মুচকি হাসি হাসে।
খাতা নিয়ে সেই সারাক্ষন
ধৃতি বসেই থাকে,
কামাই করার কারণ
অন্যের পাক্কা হিসেব রাখে।
সবার যখন হলো
তবে আমিই কেনো বাদ,
বলো এবার, মিটেছে তো...
ওই পাঁপড় খাওয়ার স্বাদ?
একটা কথা শেষ বেলাতে
না বললেই নয়,
থাকি যদি এক ডোরেতে
আমরা করবো জয়।
নমস্কার... 🙏
When the পার্টস অব স্পীচ are mirror of Society
যেটা মনে রাখবেন অবশ্যই! একজন চেয়ার লোভী noun ই কেবলমাত্র অন্য একজন চেয়ার লোভী noun এর সুনাম বা বদনাম করতে পারে এটা কি জানেন? আপনি কি ভাবছ...
-
যেটা মনে রাখবেন অবশ্যই! একজন চেয়ার লোভী noun ই কেবলমাত্র অন্য একজন চেয়ার লোভী noun এর সুনাম বা বদনাম করতে পারে এটা কি জানেন? আপনি কি ভাবছ...
-
Hi... Readers...! I hope you all are well! Today I am here with a new article for you. OK, just imagine what it would be like if you are g...
-
*Be-head-জীবন* 🤣😂 জাটি গেছে দাদুর কাছে💏 লোকু গেছে হাটে👳 পূজা গেছে পুজো করতে👸 সুরো ছোটে মাঠে...🏃🏃 সুইট দিব্যি বিয়ে বাড়িতে👰 পৃথ্বী ...






